নোঙর-কক্সবাজার জেলা থেকে সম্মানিত সদস্য মনোনিত হয়েছেন মো. ইসমাইল খান।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার অতন্দ্রপ্রহরী প্রবাসী ব্যবসায়ী মো. ইসমাইল খান (বাকখালী নদী) কে ‘নোঙর-কক্সবাজার’ জেলা শাখার সম্মানিত সদস্য মনোনীত করা হয়েছে।

নদী ও পরিবেশ নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’ প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন শামস আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমাজ সেবক মো. ইসমাইল খান কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে।

দেশজুড়ে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সারা দেশের নদী ও পরিবেশ রক্ষায় আত্ম নিযোজিত যোদ্ধাদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ইতিমধ্যেই জেলা কমিটি গঠন করার কাজ চলমান রয়েছে।

১. ঢাকা ২. খুলনা ৩. চট্রগ্রাম ৪. রাজশাহী ৫. বরিশাল ৬. সিলেট ৭. রংপুর ৮. ময়মনসিংহ বিভাগের কমিটির পাশাপাশি ৬৪ জেলার নদী প্রকৃতি সুরক্ষার লক্ষ্যে তরুণদের সমন্বয়ে এই জেলা কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার ধরাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

নদীমাতৃক দেশের নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন, নোঙর পতাকা তলে একতাবদ্ধ হোন।

“২৩ মে, ‘জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস’ ঘোষণা করা হোক“

নোঙর-গলাচিপা উপজেলা থেকে সম্মানিত সদস্য মনোনিত হয়েছেন মো. গিয়াস উদ্দিন জুলহাস।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার অতন্দ্রপ্রহরী সংগঠক ও নদী কর্মী মোঃ গিয়াস উদ্দিন জুলহাস (গলাচিপার বুড়াগৌরাঙ্গ, আগুন মুখা, রামনাবাদ ও তেতুলীয়া নদী) কে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলা থেকে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’-এর সম্মানিত সদস্য মনোনীত করা হয়েছে।

নদী ও পরিবেশ নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’ প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন শামস আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সমাজ সেবী মোঃ গিয়াস উদ্দিন জুলহাস কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে।

দেশজুড়ে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সারা দেশের নদী ও পরিবেশ রক্ষায় আত্ম নিযোজিত যোদ্ধাদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ইতিমধ্যেই জেলা কমিটি গঠন করার কাজ চলমান রয়েছে।

১. ঢাকা ২. খুলনা ৩. চট্রগ্রাম ৪. রাজশাহী ৫. বরিশাল ৬. সিলেট ৭. রংপুর ৮. ময়মনসিংহ বিভাগের কমিটির পাশাপাশি ৬৪ জেলার নদী প্রকৃতি সুরক্ষার লক্ষ্যে তরুণদের সমন্বয়ে এই জেলা কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার ধরাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

নদীমাতৃক দেশের নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন, নোঙর পতাকা তলে একতাবদ্ধ হোন।

২৩ মে, ‘জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস’ ঘোষণা করা হোক

করোনা: মুজিব বর্ষে আমরা করবো জয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘WHO’ “নোভেল করোনাভাইরাস” কে মহামারি হিসেবে ঘোষণা!

ইতিমধ্যে করোনাভাইরাস গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। চীনের পর একে একে ইতালি, স্পেন, ইরান, জার্মানি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জাপান, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্সসহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে ‘করোনা’ এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।

করোনার তাণ্ডবলীলায় উন্নত দেশগুলির বেসামাল অবস্থা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। “করোনা”কে সামাল দিতে সম্পদশালী ও চিকিৎসা পরিকাঠামোর শীর্ষে থাকা দেশগুলিরই ল্যাজেগোবরে অবস্থা। তা দেখে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রগুলি প্রবল চাপের মুখে।

বাংলাদেশে এই সঙ্কট আরও গভীর। বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ একটি গরিব দেশের ১৭ কোটি জনসংখ্যাকে করোনার বিষাক্ত ছোবল থেকে রক্ষা করা অনেক বড় এবং কঠিনতম চ্যালেঞ্জ। প্রতিষেধকহীন এই মারাত্মক ভাইরাস মোকাবিলার একটাই অস্ত্র, আত্মরক্ষা। আলাদা থাকা, একা থাকা, ঘরে থাকা।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশ্বে এগিয়ে থাকা এবং অত্যন্ত কম জনসংখ্যার দেশ হওয়া সত্ত্বেও ইতালি, স্পেন, আমেরিকা, জাপান, ফ্রান্স, কানাডা, জার্মানি এবং ইংল্যান্ড “করোনাভাইরাস” মোকাবিলায় নাকানিচোবানি খাচ্ছে। তার অন্যতম প্রধান কারণ “করোনা”কে ছোট করে দেখা এবং অবশ্যই তাদের জীবনযাত্রা। হু হু করে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। ওই সমস্ত দেশ এই মুহূর্তে ‘করোনা’ আক্রমণের স্টেজ থ্রি ও ফোর দশায় অবস্থান করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুললে আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলিকে এই খেসারত হয়তো দিতে হতো না। আমাদের বাংলাদেশে এই আক্রমণ কিছুটা পরে শুরু হওয়ায় আমাদের সামনে এখনও একটা সুযোগ রয়েছে। প্রতিরোধ গড়ে তোলার সুযোগ। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে করোনা স্টেজ ‘থ্রি’ পর্বে রয়েছে। এখনও পুরোপুরি ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ শুরু হয়নি বলেই অনুমান। এখনও পর্যন্ত যাঁরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় আইসোলেশনে রয়েছেন তাঁদের প্রায় প্রত্যেকেরই সুনির্দিষ্ট ইতিহাস রয়েছে।

অর্থাৎ তাঁরা হয় বিদেশে আক্রান্ত হয়ে এদেশে এসেছেন অথবা আক্রান্তদের সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শে এসেছেন। কিন্তু, তৃতীয় স্টেজটাই অতি ভয়ঙ্কর! মানুষ নিজের অজান্তেই এই ভাইরাসের শিকার হবেন এবং অন্যকেও বিপদের মুখে ঠেলে দেবেন। তাই সতর্ক না হলে দেশজুড়ে নেমে আসবে ভয়াবহ বিপর্যয়।
করোনাভাইরাসের সঠিক মোকাবিলা করতে হলে আপাতত ‘গৃহবন্দি’ হয়ে থাকা আবশ্যক। যাদের বাইরে যাওয়া অনিবার্য তাদেরও সতর্ক হওয়া দরকার। অন্তত মুখে মাস্ক পরা, প্রতি দুজন মানুষের মধ্যে চার থেকে ছয় ফুট দূরত্ব বজায় রাখা দরকার।

সারাবিশ্বই বর্তমানে স্তব্ধ হয়ে গেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলকারখানা, অফিস বন্ধ। অনেক অফিস অনলাইনে চলছে। অনেক অফিস যেটুকু কাজ না করলে নয়, তা-ই করছে। ইউরোপ-আমেরিকার বড় বড় শহরগুলো গত দুই সপ্তাহ ধরে স্তব্ধ, শূন্য প্রান্তরের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে। প্রাণের স্পন্দন নেই, যান নেই, জন নেই!


এ রকম কত দিন চলবে? কেউ জানেন না? আশাবাদীরা বলছেন তিন-চার মাস সময় লাগবে। আবার এমন ভীতিপ্রদ হিসেবও পড়েছি, যা বলছে অন্তত দেড় বছর। এমন সঙ্কট আমরা অতীতে দেখিনি! পরিচিত অনেকের মনেই এক সাধারণ উৎকণ্ঠা! এই সঙ্কট যত গভীর হবে, সমাজের চেহারাটা ততই কি বদলাবে? কী ভাবে? বেশির ভাগ মানুষের জীবন অনিশ্চয়তার ঘুরপাকে ফেলে দিয়ে তো আর কোনও সমাজ স্থিতিশীল থাকতে পারে না। প্রচুর মানুষের এখন আয় নেই বা ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। যারা দিনে এনে দিন খান, তারা কীভাবে বেঁচে থাকবে? এই মানুষেরা যদি কেড়ে খেতে শুরু করে কখন কী হবে?


ধনতান্ত্রিক সমাজে সাধারণত অসুখ-বিসুখ বাজারি ব্যবস্থার মাধ্যমে মোকাবিলা করা হয়। স্বাস্থ্যের ব্যবস্থা মানে শুধু রোগমুক্তি নয়, স্বাস্থ্য ব্যবসায়ীদের মোটা অঙ্কের মুনাফাও বটে। কিন্তু করোনাভাইরাস ধনতান্ত্রিক দেশগুলোকেও সে সুযোগ দেয়নি। এই মহামারিতে বরং ধনতান্ত্রিক সমাজই যেন উরুতে ঘা খেয়ে পা ভেঙে বসে পড়েছে! আমাদের কী হবে, সেটা ভাবলে শরীর হিম হয়ে যায়! আপাতত ঘরে থাকা এবং সব ধরনের জনসমাগম এড়িয়ে বিচ্ছিন্ন থাকার নীতি অবলম্বন করে সব দেশ পরিত্রাণ খুঁজছে। আমাদেরও এই নীতি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই।


বর্তমান পরিস্থিতে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা দ্রুত কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ায়, সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করা, একই সঙ্গে আরও কঠিন সময়ের জন্য মানসিকভাবে তৈরি করার ঘোষণাও কিছুটা স্বস্তির আভাস দিয়েছেন। একথা ঠিক যে প্রায় ১৭ কোটি জনসংখ্যার দেশে কোনো সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাই যে যথেষ্ট নয়। সরকারের সীমাবদ্ধতার কথাও জানাতে হবে। গত ২৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে যে ভাষণ দিয়েছেন, তা কিন্তু আশ্বস্ত হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়! বিত্তশালী আমেরিকা বা ইউরোপই যেখানে সংক্রমণ সামাল দিতে নাজেহাল, সেখানে বাংলাদেশের ক্ষমতা আর কতটুকু? কিন্তু সদিচ্ছাটুকু অন্তত জানানো হয়েছে সামান্য ও সীমিত সামর্থ্য নিয়েই লড়ে যেতে তিনি তৈরি।

তিনি সরকারি-বেসরকারি সকল স্বাস্থ্য প্রদানকারী সংস্থাকে এক জায়গায় ‘মানবিক’ দৃষ্টিতে সেবা প্রদানের আবেদন জানিয়েছেন।সরকারি–বেসরকারি সম্মিলিত উদ্যোগ কীভাবে জনহিতে কাজে লাগানো যেতে পারে-সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। যাইহোক, সময় এখনও শেষ হয়ে যায়নি। সরকারকে করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য প্রভাব ও ফলাফল নিয়ে এখনই গভীরভাবে ভাবতে আরও হবে। করোনাভাইরাস-জাত আর্থিক সমস্যা কে সরকার অর্থনীতির গভীর স্বাস্থ্যভঙ্গের বিপদটিকে যেন আড়াল করতে না চায়। বর্তমান পরিস্থিতিতে কী কর্তব্য, সেটা যদি সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা না জানেন, তবে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিতে হবে। কিন্তু, কিছুই হয়নি, আমরাই সব সামলাতে পারবো, এমন মিথ্যা অহঙ্কারের হাতে দেশকে ছেড়ে দিলে মহাবিপর্যয় গ্রাস করবে।

অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এত দেরি কেন? প্রতিরোধক ব্যবস্থাই বা এত ঢিলেঢালা কেন? আবার দেশের জনসংখ্যা এবং সংক্রমণের অনুপাত হিসাব করে অনেকেই বলছেন, আমাদের জন্য দুঃচিন্তার এত কারণ নেই। ক্ষোভ, অভিযোগ, তর্ক— অতি উৎকৃষ্ট বস্তু। কিন্তু এখন এসব চর্চার ক্ষোভ, অভিযোগ, তর্ক— অতি উৎকৃষ্ট বস্তু। কিন্তু এখন এসব চর্চার সময় নয়। বিপদ কাটলে তর্ক করবার, অনুপাত কষবার বিস্তর অবকাশ মিলবে। যাতে বাধ্য হয়ে জনজীবন অঁচল করতে না হয়, সেই কারণেই জনসমাগম ও সামাজিক মেলামেশা যথাসম্ভব কমানো জরুরি।

এখনও পর্যন্ত যে পরিস্থিতি রয়েছে, সেটাকে ধরে রাখার জন্য চাই আরও সতর্কতা ও নিরলস প্রচেষ্টা। বিশ্বের বিখ্যাত সাহিত্যিক অ্যালবেয়ার ক্যামু, জ্যাক লন্ডন, মার্কেজ প্রমুখের লেখায় মহামারীর বিরুদ্ধে মানুষের লড়াইয়ের ছবি আঁকা হয়েছে। কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত লিখেছেন, ‘মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি/ বাঁচিয়া গিয়েছি বিধির আশীষে অমৃতের টিকা পরি।’ মানুষের কপালে আছে অমৃতের টিকা। তার ‘নাই নাই ভয়, হবে হবে জয়।’ এই জয়ের মুকুট ছিনিয়ে আনতে সরকার ও দেশের মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে! “হাঁচি-কাশি, জ্বর মাথা ব্যাথা মানেই করোনা নয়!

হতাশ ও আতঙ্কিত হবেন না” অন্য অনেক কারণেও এমন হতে পারে। তবে হঠাৎ এমন উপসর্গ দেখা দিলে বিলম্ব না করে আপনি ও আপনার বন্ধুকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। আপনার আশেপাশে জেলা ও উপজেলা সদরে করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে, কোথায়ও না থাকলে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল কিংবা সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অতি দ্রুত চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন! এই হাসপাতালগুলোতে করোনার চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

“করোনাভাইরাস” অন্যান্য ভাইরাসের তুলনায় ভারী বিধায় বেশীক্ষন বাতাসে ভাসতে পারে না! তাই এটি মাটি, মেঝে/ফ্লোরেও পড়ে অবস্থান করে। তাই মেঝে সব সময় পরিষ্কার রাখবেন। হাত-পা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। যারা করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত শুধুমাত্র তারাই হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু /রুমাল ও মাক্স ব্যবহার করুন! রুমাল ব্যবহারের পর সেটা আবার ধুয়ে নিন। নিজে যথাযথ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন এবং পরিবারের সদস্যদেরও সচেতন করুন। সতর্কতা হিসেবে লবন, আদা, গরম পানি সহযোগে দিনে কয়েকবার গড়গড়া করুন! এবং প্যারাসিটামল ও এন্টিহিস্টামিন ব্যবহার করুন! নিজে পরিষ্কার থাকুন, অন্যকে পরিষ্কার থাকতে বলুন! দিনে কয়েকবার কাপড় কাচার সাবান দিয়ে কমপক্ষে ৩০ সেকেন্ড ভাল করে হাত ধুয়ে নিন! স্বাভাবিক খাদ্য গ্রহন ও ভিটামিন এ, সি ও ডি জাতীয় খাবার একটু বাড়িয়ে খাই।

বেশী বেশী নিরাপদ পানি পান করি। নিজের বাসায় অবস্থান ও বাসার তৈরী খাবার খাই, সুস্থ জীবন গড়ি। মোটকথা, সব কিছুই সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা! তাই সর্বোপরি সৃষ্টিকর্তার শরণাপন্ন হোন, তাঁর প্রতি ভরসা রাখুন, ধর্মীয় শাসন মেনে চলুন এবং নিজেরা সচেতন থাকুন! সকল প্রকার ভ্রমণ থেকে সাময়িক বিরত থাকতে আপনার ইচ্ছাই যথেষ্ট! আর নয় করোনাভাইরাস এ আতঙ্কিত! আমরা বাংলাদেশী! জয় আমাদের হবেই ইনশাল্লাহ! বিশ্বতথ্য মতে, কোভিড করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের উপায় কী কী আছে? করোনা গ্রুপের কোভিড–১৯ ভাইরাসের চরিত্র সম্পর্কে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এখনও অনেক তথ্য জেনে উঠতে পারেননি। সাধারণ জ্বর-সর্দিই এই অসুখের প্রাথমিক উপসর্গ।

বিজ্ঞানীরা তবে এখনও বুঝে ওঠা যাচ্ছে না কিছু দিনের মধ্যে এই ভাইরাসের প্রকোপ কমে যাবে নাকি আরও মারাত্মক ভাবে ছড়িয়ে পড়বে! দেখা গিয়েছে সাধারণ ভাইরাল ফিভার ও সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ দিয়ে রোগের সূত্রপাত হলেও বয়স্ক মানুষ এবং যাঁদের হার্ট ও লাং-সহ অন্যান্য কোনও অসুখ আছে তাদের ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে। কয়েকটি ব্যাপারে সচেতন হয়ে সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে এই অসুখের হাত এড়ানো যায়! সুস্থ থাকতে গেলে কী কী করব?

• সঠিক ডায়েট, নিয়মিত এক্সারসাইজ করে ওজন স্বভাবিক রাখা ও নিশ্ছিদ্র নিদ্রা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়। এ ছাড়া ধূমপান, মদ্যপানের মতো বদভ্যাস থাকলে তা ছেড়ে দিতে হবে। মন ভাল রাখতে নিয়ম করে মেডিটেশন করতে পারলে ভাল হয়।

• নিয়ম করে হাত ধুয়ে নিতে হবে। খাবার আগে তো বটেই, নাকে-মুখে-চোখে হাত দেওয়ার আগে অবশ্যই ভাল করে সাবান দিয়ে রগড়ে হাত ধুতে হবে, অসুবিধে থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ভাল করে হাত ধোয়া দরকার।

• ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া-সহ যাবতীয় টিকা নিয়ে রাখা উচিত, বিশেষ করে যাঁদের কোনও ক্রনিক কোনও অসুখ, যেমন ডায়বিটিস, হার্টের অসুখ, সিওপিডি ও নানা ফুসফুসের অসুখ আছে তাঁদের তো বটেই, সিনিয়র সিটিজেনদের বাধ্যতামূলক ভাবে ভ্যাকসিন নেওয়া দরকার।

• হাত না ধুয়ে চোখ, নাক, মুখে হাত দেবেন না।

• কোভিড–১৯ ভাইরাস ঠিক কী ভাবে ছড়িয়ে পড়ে সেই বিষয়ে এখনও চিকিৎসকরা নিশ্চিত নন। তবে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ানোর ব্যাপারে কিন্তু নিশ্চিত। হাঁচি-কাশির পাশাপাশি সর্দি বা লালার মারফত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আছে। তাই মুখে, চোখে ও নাকে হাত দেওয়ার আগে অবশ্যই হাত ধুয়ে নিতে হবে। তাই খাবার খাওয়ার আগে তো বটেই, নাক ঝাড়া, হাঁচি ও কাশির পর পরই সাবান বা হ্যান্ড স্যনিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে নেওয়া দরকার।

• বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ও সরকারি স্বাস্থ্য দফতর তাঁদের ওয়েবসাইটে কোভিড–১৯ সম্পর্কে যে সব তথ্য জানাচ্ছেন সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা দরকার।

• কাজের প্রয়োজনে বা অন্য কারণে বাইরে যেতে গেলে যে সব নিয়ম মেনে চলা দরকার তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

• নিজে বা নিকট জন অসুস্থ হয়ে পড়লে অবশ্যই চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন। যদি জ্বর, সর্দি কাশি, শ্বাসকষ্ট, মাথা ও গা-হাত-পা ব্যথার মত উপসর্গ হয় তবে অবিলম্বে সাবধান হন। বিশেষ করে যদি বিদেশ থেকে আসেন বা বিদেশ থেকে এসেছেন এমন কারও সংস্পর্শে আসেন তবে অবশ্যই ডাক্তারকে সে কথা জানান। কোভিড-১৯ পরীক্ষার পাশাপাশি অন্যদের মধ্যে যাতে অসুখ ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক হতে হবে সবাইকে। সাধারণ ভাইরাল ফিভার হলে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম ও সঠিক পথ্য নিন, দরকার হলে ওষুধ খান।

• অযথা আতঙ্কিত হবেন না, আর গুজব ছড়াবেন না। তবে সাবধানের মার নেই। সাবধানে থেকে কোভিড–১৯ এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হতে হবেই।

• হাত ধোওয়ার নিয়মাবিধি মেনে চলুন। হাতে জল ঠেকানো মানেই কিন্তু হাত ধোওয়া নয়, এটা মনে রাখতে হবে। আরও লক্ষণীয় বিষয় হলো- করোনা ভাইরাস প্রতি প্রতিরোধে নিজের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যা যা করবেন :

১. ধূমপান বাদ দিন। ২. অ্যালকোহল পান করবেন না। ৩. প্রতিদিন গোসল করুন। সম্ভব হলে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান কিংবা বডিওয়াস (ডেটল, কাপড় কাঁচার সাবান, লাইফবয়) ব্যবহার করুন। ৪. ঠাণ্ডা-জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকুন যেমন : আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিঙ্কস, জুস। ৫. ভিটামিন সি যুক্ত খাবার/ফল খান। যেমন : অরেঞ্জ জুস, লেবু। ৬. সূর্যের আলো ত্বকে নিন। (ভিটামিন ডি) ৭. ঘনঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। ৮. ভালভাবে সেদ্ধ করা খাবার খান। যেমন : ডিম, মুরগির মাংস। ৯. অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ১০. আদা চা, তুলশী চা, মধু ইত্যাদি পান করুন। ১১. ইয়োগা বা ব্যায়াম করুন। তথ্য মতে, করোনা ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম।

এটা সবাইকে আক্রমণ করতে পারলেও সবার মৃত্যু ঘটাতে পারবে না। আপনার শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনাকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে পারে। তাই আক্রান্ত হওয়ার আগেই সতর্ক হোন। জনসমাগম এড়িয়ে চলুন! বাসায় থাকুন, সুস্থ থাকুন! সাময়িক সামাজিক দুরত্ব দায়িত্বের সাথে ও প্রয়োজনে পরিহার করুন!” “ধন সম্পদের অহংকার থেকে সৃষ্টিকর্তা/ আল্লাহ/ঈশ্বর যে নামেই জানি তাঁর কাছে পানাহ চাই! তিঁনিই সকল কিছুর মালিক! করোনাভাইরাস এমন একরোগ, যা মানুষকে ধ্বংসের শেষ পর্যায়ে পৌছিয়ে দিতে পারে। নিজে বাঁচুন,পরিবার ও সমাজ ও দেশের মানুষকে বাঁচান।

লেখক: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, উপদেষ্টা, নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

https://nongornews.com/2020/04/15/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0/?

মানুষ প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল

যেহেতু মানুষ নদী-প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল, তাই প্রকৃতির উপর আধিপত্য নয়, মানুষ গড়ে তুলতে চাইছে প্রকৃতির সঙ্গে মৈত্রীর সম্বন্ধ।

মানুষের অস্তিত্ব প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল।কিন্তু প্রকৃতির ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে মানুষ যে নিজের ধ্বংস ডেকে আনছে। মানুষ এখন বুঝতে পেরেছে যে, প্রকৃতির সঙ্গে শত্রুতা করে নয় তার সঙ্গে মৈত্রীর সম্পর্ক গড়ে তুলেই মানব – অস্তিত্বকে রক্ষা করতে হবে।

মানুষ প্রকৃতির সন্তান। এক সময় প্রকৃতির কোলেই তার জন্ম। কিন্তু কাল পরিক্রমায় সংগ্রামশীল মানুষ একসময় প্রকৃতিকে নিয়ে এসেছে তার হাতের মুঠোই। জয় করেছে সাগর, মাটি, আকাশ এমনকি মহাশূন্যও। প্রকৃতির ইচ্ছে মতো ব্যবহার ও পরিবর্তন করে সে গড়ে তুলেছে মানব সভ্যতা।

এ জন্য সে পাহাড়কে কেটে করেছে সমতল ভূমি, জলাভূমিকে করেছে ভরাট, বন উজাড় করে গড়েছে বসত, নদীর গতিপথকে নিয়ন্ত্রণ করেছে বাঁধ দিয়ে। কিন্তু জগতে সমস্ত ক্রিয়ারই এক ধরনের বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।

প্রকৃতির সম্পদকে এভাবে যথেচ্ছা ব্যবহার করতে গিয়ে মানুষ নষ্ট করছে প্রকৃতির ভারসাম্য, বিপন্ন করছে জীবপরিবেশ। দূষিত হয়েছে বায়ু, মাটি, পানি। ফলত মানব সভ্যতার অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। সংকট আজ গোটা বিশ্ব জুড়ে। সৌভাগ্যের কথা, মানুষ আজ এ সংকটের প্রকৃতি সম্পর্কে সচেতন হতে চলছে।

প্রকৃতির ওপর আধিপত্য ও এর যথেচ্ছ ব্যবহার যে চরম অকল্যাণকে ত্বরান্বিত করবে, এর জন্য মানুষকে যে চরম মূল্য দিতে হবে মানুষ তা উপলদ্ধি করতে পেরেছে। আর তাই মানুষ এখন বেচে নিয়েছে প্রকৃতির সঙ্গে মৈত্রীর সম্পর্ক গড়ার পথ। অরণ্য ধ্বংসের বদলে গ্রহণ করছে অরণ্য সৃজনের পথ।

প্রকৃতির নিয়মকে মান্য করেই প্রকৃতিকে সবচেয়ে মঙ্গলজনকভাবে ব্যবহারের দিকে আজ বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়ছে।একই সাথে নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর’র নদী সুরক্ষায় বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগের কারনে দেশের সরকার এবং সচেতন নাগরিক বৃন্দ আজ নদী প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে আরো সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার পাশাপাশি সভ্যতাকে এগিয়ে নিতে হলে চাই প্রাকৃতি সম্পদের সুরক্ষা এবং তার পরিবেশ-সহায়ক ব্যবহার।

সোহেল খান : সদস্য, নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।

https://nongornews.com/2020/04/15/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d/?

করোনা প্রতিরোধে নোঙর’র জীবাণুনাশক স্প্রে কর্মসুচি অনুষ্ঠিত।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বুড়িগঙ্গা এবং আদী বুড়িগঙ্গার ধারের কামরাঙ্গীরচরের ঘরবাড়ি, দোকানপাট, মসজিদ, খেয়াঘাট এবং বুড়িগঙ্গার খেয়া নৌকায় জীবাণুনাশক স্প্রে, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাপস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ কর্মসুচির মাধ্যমে জনসচেতনতামূলক প্রচার অভিযান পালন করছে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এ সেবামূলক গণসচেতনতামূলক প্রচারণায় নোঙর : ছবি : এফ এইচ সবুজ

আজ সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২০ সকাল ১০:৩০ মিনিটে কামরাঙ্গীরচ লোহারপুল থেকে মাইকিং এর মাধ্যমে প্রচার অভিযান শুরু হয়।দুপুর ২:২০ মিনিট পর্যন্ত আদি বুড়িগঙ্গা বেরিবাধ, কুরারঘাট, ঠোডাঘাট হয়ে মাদবর বাজার ঘাট পর্যন্ত এ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক এ প্রচার অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এ সেবামূলক গণসচেতনতামূলক প্রচারণায় নোঙর : ছবি : আমিনুল হক চৌধুরী

কামরাঙ্গীরচর লোহার পুল থেকে শুরু করে বুড়িগঙ্গার ঠোডা খেয়া ঘাট হয়ে মাদবর বাজার পর্যন্ত তিনটি খেয়াঘাটের সাধারণ যাত্রীদের করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা মনে করিয়ে দিয়ে সকল জনগণকে আরো সচেতন হবার আহবান জানানো হয়। করোনা প্রতিরোধে সমগ্র দেশবাসীকে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতন থাকার আহবান জানান নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর সভাপতি সুমন শামস।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এ সেবামূলক গণসচেতনতামূলক প্রচারণায় নোঙর : ছবি : এফ এইচ সবুজ

তিনি বলেন, মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ৭০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটেছে এবং ১৩ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। একই সময় এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশীর মৃত্যু ঘটেছে এবং নতুন করে ১২ প্রবাসী শনাক্ত হয়েছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ইতিমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১২ জন নাগরিক মৃত্যু ঘটেছে, ১২৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং নতুন করে আরো ৩৫ জন সনাক্ত হয়েছে যা আমাদেকে আতঙ্কিত করে তুলেছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশ এর ৫৭নং ওর্য়াড কাউন্সিলর হাজী মোঃ সাইদুল মাদবর এর সহযোগিতায় নোঙর আয়োজিত এ অভিযানের পাশে ছিলেন জনাব সুজিতরায় নন্দী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।জনাব আখলাকুর রহমান মাইনু, নির্বাহী পরিচালক, চাইল্ড এন্ড মাদার কেয়ার।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এ সেবামূলক গণসচেতনতামূলক প্রচারণায় নোঙর : ছবি : এফ এইচ সবুজ

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচার অভিযানে অংশগ্রহণ করেন নোঙর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীর মোকাদ্দেস আলী, আমিনুল হক চৌধুরী, সৈয়দ শাহনেওয়াজ শাহীন, ‘নোঙর- ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক জনাব এফ এইচ সবুজ, মহানগর দক্ষিণ’র সম্মানিত সদস্য, চিত্রশিল্পী সবুর খান, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ বাবুল, মোঃ রাজিব।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এ সেবামূলক গণসচেতনতামূলক প্রচারণায় নোঙর : ছবি : এফ এইচ সবুজ

তাই করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সরকার ঘষিত সকল নির্দেশনা মেনে নিজ নিজ গৃহে অবস্থান করার অনুরোধ করেন নোঙর সভাপতি।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এ সেবামূলক গণসচেতনতামূলক প্রচারণায় নোঙর : ছবি : আমিনুল হক

https://nongornews.com/2020/04/06/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%99%e0%a6%b0%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%80/

২৩ মে হোক জাতীয় নৌ নিরাপত্তা দিবস : সুমন শামস

লঞ্চ দুর্ঘটনা : পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নদীসহ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রায় সব নদী বর্ষাকালে উত্তাল হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে মনে জাগে নৌ দুর্ঘটনার ভয়। আমার ভয় আরেকটু বেশি। কারণ নৌ দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আমার মায়ের মুখ। ২০০৪ সালের ২৩ মে মাদারীপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা ১৫৬টি তালি দেওয়া চলাচলের অযোগ্য লঞ্চ ‘এমভি লাইটিং সান’ ও ‘এমভি দিগন্ত’ মেঘনা নদীতে গভীর রাতে ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে গিয়েছিল। নদীতে সে রাতে কচুরিপানার মতো ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসেছিল দুই শতাধিক মৃতদেহ। সেদিনের একজন যাত্রী ছিলেন আমার প্রিয় মা। আর সেদিন থেকেই নৌ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা ‘নোঙর’ দাবি তুলে যাচ্ছি। ২০১১ সাল থেকে আমরা একই কর্মসূচির অংশ হিসেবে নদীতে ভাসমান আলোচনা সভার আয়োজন করে চলছি। আর ২০০৫ সাল থেকেই নানা কর্মসূচির মাধ্যমে যাত্রীদের

মধ্যে সচেতনতা ও কর্তৃপক্ষের সক্রিয়তার জন্য কাজ করে চলছি। তারপরও কি এসেছে কাঙ্ক্ষিত

সচেতনতা ও সক্রিয়তা?

বস্তুত দক্ষিণবঙ্গের উপকূল, উত্তরের হাওর ও নদী-তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থার অন্যতম মাধ্যম নদীপথ। একসময় দেশে নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় মিলে সর্বমোট প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ছিল। তার মধ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের নৌ-সওপ বিভাগ বাংলাদেশের উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে ১৯৬২ থেকে ১৯৬৭ পর্যন্ত নেদারল্যান্ডসের সহায়তায় নদী জরিপ করে মোট ১৩ হাজার ৭৭০ কিলোমিটার নাব্য নৌপথকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপথ কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল।

পরবর্তীকালে ক্রমান্বয়ে নদীতে পলিমাটি পড়ে নাব্য হ্রাস পেতে পেতে ১৯৮৮ সালে নৌপথ ৫ হাজার ৯৯৫ কিলোমিটারে এসে দাঁড়ায়। এই বিস্তৃত নৌপথে উপকূল, হাওর ও নদী-তীরবর্তী জেলাগুলোয় বসবাসরত দরিদ্র জনসাধারণ শিশু, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে দৈনন্দিন প্রয়োজনে প্রতিদিনই পারাপার হচ্ছে এবং তাদের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। নৌপথগুলোর ওপর যেমন মানুষের চাপ বাড়ছে, তেমনি ক্রমশ কমছে সরকারি সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়হীনতা, দুর্বল নজরদারি, ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ আইন-কানুন প্রয়োগের অভাব রয়েছে, যে কারণে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নদীতে ঘটে

গেছে অনেক নৌ দুর্ঘটনা; যা অনেকের জীবনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

স্বীকার করতে হবে, একযুগ আগে গড়ে ওঠা ‘নদী নিরাপত্তায় নিয়োজিত সামাজিক সংগঠন নোঙর’ নৌপথের যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে গণসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে। যার কারণে আমাদের গণমাধ্যম এবং সরকারের কাছে নৌপথের যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছুটা গুরুত্ব বেড়েছে। গত তিন বছর থেকে নদী ও হাওরাঞ্চলে যাত্রীবাহী ট্রলারডুবি এবং উপকূলীয় অঞ্চলে তেমন কোনো লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটেনি।

আমরা মনে করি, এখন নৌপথ নিয়ে আরও মনোযোগী হওয়ার সময় এসেছে। বাংলাদেশে যাত্রীবাহী লঞ্চ-স্টিমার, সড়কপথে পারাপারের জন্য ফেরি, মালামাল-পণ্যবাহী কার্গো, যাত্রী ও পণ্যবাহী ইঞ্জিনচালিত ট্রলার, হস্তচালিত নৌকা ইত্যাদি নৌযান ব্যবহার করে মানুষ তাদের দৈনন্দিন যোগাযোগ ও পরিবহনের চাহিদা পূরণ করছে। এই যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থায় অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিন দ্বারা পরিচালিত নৌযানের রুট, নৌযান দুর্ঘটনা ইত্যাদি সম্পর্কে জানার সুযোগ হলেও এর বাইরে থাকা ছোট ছোট রুটের নৌযানগুলো আলোচনায় উঠে আসে না। এর কারণ হলো সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের বৃহত্তর কাজের ক্ষেত্রটি আন্তরিকতার সঙ্গে নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং অভ্যন্তরীণ নৌ কর্তৃপক্ষ তাদের কাজের ক্ষেত্রটি প্রতিনিয়তই সংকুচিত করে আনছে। যেমন উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেলওয়ে যাত্রী পারাপারের পথ হিসেবে ব্যবহূত বাহাদুরাবাদ-বালাসী নৌবন্দরের স্টিমার সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অথচ সেখানে মানুষের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়নি। বর্তমান রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে যাতায়াতকারী মানুষ ঝুঁকি নিয়ে নৌপথ পারাপার হচ্ছে এবং এই হার এখনও বেড়েই চলেছে।

উন্নত ও আধুনিক যাতায়াতের নামে নৌপথকে উপেক্ষার চোখে দেখে সড়কপথের প্রতি বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। এ জন্য অবশ্য নৌপথের লোকসানের বিষয়টি বারবার ফলাও করে প্রচার করা হলেও এর অন্তরালে রয়েছে পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের সমন্বয়হীনতা, অবহেলা, দুর্নীতি ও অপেশাদারিত্ব।

নদীমাতৃক দেশের নদীপথে এ পর্যন্ত যেসব দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোসহ আগামী দিনের নৌ চলাচল নিরাপদ করতে বর্তমান সরকার বেশ আন্তরিকভাবে নৌপথের মনিটর করছে। বিগত সরকারের আমলেই মুষ্টিমেয় কয়েকটি রুটে সংঘটিত দুর্ঘটনা সরকার আমলে নিয়ে তদন্ত করেছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এ পর্যন্ত দেশে ৫৩৫টি বড় ধরনের নৌ দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৬ হাজারেরও বেশি। এসব দুর্ঘটনার পর সরকার দুর্ঘটনা তদন্তে এক বা একাধিক তদন্ত

কমিটি গঠন করেছে এবং কমিটিগুলো দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপটে কিছু পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়ে প্রতিবেদনও দাখিল করেছে।

দেখা যাচ্ছে, ১৯৮৫ থেকে ২০০৯ সময়কালে উল্লেখযোগ্য নৌ দুর্ঘটনার সংগৃহীত সরকারি তদন্ত প্রতিবেদনে সর্বমোট ২৭৮টি সুপারিশ রয়েছে। যার অধিকাংশই প্রায় সব প্রতিবেদনেই বিদ্যমান। ফলে এটাই সত্য যে, প্রতিবেদনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের কোনো চেষ্টাই হয়নি। এতে দিন দিন নৌ দুর্ঘটনার বিষয়টি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।

নৌপথ নিয়ে বিভিন্ন অনুসন্ধানে তিনটি মূল ক্ষেত্রকে কারণ হিসেবে তুলে ধরা যায়। প্রথমত, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে চলাচলরত লঞ্চ মালিকরা সুকৌশলে নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে নিয়ন্ত্রণে রেখে উপর্যুপরি মুনাফা লাভে ২০০২ সাল থেকে মালিকরা লঞ্চ চালনায় নিয়ন্ত্রণসূচি বা রোটেশন পদ্ধতির সূচনা করেন। দ্বিতীয়ত, রোটেশন অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট দিনে শুধু একটি মালিকের লঞ্চ চলাচল করবে। ফলে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও ভাড়া আদায়সাপেক্ষে মালিকরা একচেটিয়া লঞ্চ পরিচালনা করে থাকেন। এতে যাত্রীরা ভিন্ন লঞ্চের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কম ভাড়া নির্ণয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়ছে এবং অনৈতিক বা চাপিয়ে দেওয়া নির্ধারিত ভাড়ায় যাতায়াত করতে যাত্রীরা বাধ্য হচ্ছে। তৃতীয়ত, কোনো দুর্ঘটনার পর শুধু পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন ও প্রকৃত অপরাধীদের রক্ষা করাই হয় না; তদন্ত কমিটিও অসম্পূর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ। কারণ নৌ মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত স্থায়ী তদন্ত কমিটিতে কোনো নৌ প্রকৌশলী, পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞ, নৌপরিবহন বিষয়ক গবেষক এবং মালিক ও যাত্রী প্রতিনিধি রাখা হয় না। চতুর্থত, দুর্ঘটনার পর উদ্ধার কাজের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সরঞ্জামাদি ও জনবল থাকে না।

এসব নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। আমরা প্রস্তাব করি, নৌ নিরাপত্তা নিয়ে সাংবৎসরিক তৎপরতার হিসাব-নিকাশ ও পরের বছরের পরিকল্পনার জন্য একটি নৌ নিরাপত্তা দিবস থাকা উচিত। এ ক্ষেত্রে ২৩ মে সেই মর্মান্তিক দিনটির চেয়ে উপযুক্ত দিবস আর কী হতে পারে?

স্বীকার করতেই হবে, নোঙরের দীর্ঘ এক যুগের সংগ্রামে আজ দেশব্যাপী মানুষ নদী নিরাপত্তার বিষয়টি ভাবতে শুরু করেছে। কিন্তু এ ভাবনা বা আলোচনাই যথেষ্ট নয়। নদীমাতৃক দেশে নদীতে মানুষ ও সম্পদ বাঁচাতে জাতীয় একটি দিবসও ঘোষণা আজ সময়ের দাবি। এ বিষয়ে নোঙরের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে। আমরা তার সুদৃষ্টি কামনা করছি। সেই সঙ্গে দেশের সব মানুষকে এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণার আহ্বান জানাচ্ছি।

shumanshams@yahoo.com

সভাপতি, নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর

অমর একুশে শহীদ বেদিতে নোঙর পরিবারের শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন

অমর একুশ উপলক্ষ্যে গতকাল ৮ ফাল্গুন ১৪২৬, শুক্রবার, (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০) রাত ১২:৪৫ মিনিট প্রথম প্রহরে “ভাষা শহীদ স্মরণে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস- ২০২০” উদযাপন উপলক্ষে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’ পরিবার প্রতি বছরের মতো এবার ও প্রভাতফেরীর আয়োজন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি রাজু চত্বর থেকে প্রভাতফেরির পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করে নোঙর বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুমন শামস, কেন্দ্রীয় সদস্য আমিনুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সদস্য রুহুল আমিন, কেন্দ্রীয় সদস্য এফ এইচ সবুজ, ঢাকা মহানগর এর আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুস সালাম সময়, শাহান শাহ্, কেন্দ্রীয় সদস্য দর্পণ জামিল, কেন্দ্রীয় সদস্য সরকার সজীব, কেন্দ্রীয় সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন জনি, কেন্দ্রীয় সদস্য এস. কে. ফরহাদ, জান্নাত তোর্শা, বাবু, আপন, ইফাত জোয়াইরিয়া ও মোনালিসা প্রমুখ।

এ ছাড়াও পরিবারের বিভিন্ন জেলা শাখা এবং কেন্দ্রীয় কমিটির অনেক নেতা কর্মী একুশের পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।

নোঙর এবার ‘২৩ মে, জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস ঘোষণা করো’ শ্লোগানের ব্যানার নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রঙ্গণে পুস্পস্তবক অর্পণ করে।

একই সাথে ৮ ফাল্গুণ ১৪২৬, শুক্রবার, (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০) সকালে নোঙর- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির প্রভাতফেরী অনুষ্ঠিত হয়। শহরের শহীদ মিনার প্রঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সভাপতি শামীম আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নি, অর্থ সম্পাদক শিপন কর্মকার, নিবার্হী সদস্য মিজানুর রহমান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফেবিন রহমান, শান্তা ইসলাম, কামাল উদ্দিনসহ জেলা শাখার সকল সম্পাদক ও সদস্যবৃন্দ।

অমর একুশে শহীদ বেদিতে নোঙর পরিবারের শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন

অমর একুশে শহীদ বেদিতে নোঙর পরিবারের শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন

নোঙর পরিবারের গতকাল ৮ ফাল্গুন ১৪২৬, শুক্রবার, (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০) সকালে “ভাষা শহীদ স্মরণে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস- ২০২০” উদযাপন উপলক্ষে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া’ পরিবার এ বছর প্রভাতফেরির আয়োজন করে।

নোঙর এবার ‘২৩ মে, জাতীয় নৌ-নিরাপত্তা দিবস ঘোষণা করো’ শ্লোগানের ব্যানার নিয়ে সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শহীদ মিনার প্রঙ্গণে পুস্পস্তবক অর্পণ করে।

শহরের শহীদ মিনার প্রঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সভাপতি শামীম আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নি, অর্থ সম্পাদক শিপন কর্মকার, নিবার্হী সদস্য মিজানুর রহমান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফেবিন রহমান, শান্তা ইসলাম, কামাল উদ্দিনসহ জেলা শাখার সকল সম্পাদক ও সদস্যবৃন্দ।

The observation of the nongor Bd and the students of Dhaka University took place after the evacuation of the river Buriganga.

nongorBd (Anchor), a social riverin security organization, organized a river observation program with the young students of Dhaka University on the Buriganga River,’Titas’ a surveyed ship with the help of the next BIWTA of illegal occupation of rivers around Dhaka.

The visit took place at 9am on Monday, February 8, 2020 from Dhaka Sadarghat Navy port to Katasur Amin Momin Housing. Twenty-two young students of the film and media department of Dhaka University, after seeing the current image of unplanned religious institutions, continued to ask various questions even after the river was overthrown.

Mr. Khandaker Faridul Islam, Superintendent of Naval Police of Dhaka Range was present as the keynote speaker of the river monitoring program. “It is the responsibility of every citizen of the river river to come forward to protect the river. This huge task is possible for the public awareness activities of the anchor. The purpose of all of us is to create a beautiful riverine environment for the next generation,” she said.

Mr. Mir Mashroor Zaman Rony, teacher of Film and Media Department of Dhaka University and the message editor of Channel I was present as special guest on the occasion.

Speaking at the presidency chaired by Mr. Shuman Shams, the founding president of the river safety social organization, the speakers said that such an arrangement will play a big role in protecting the river with the students and teachers of the respective departments of every university of the #nongorBd (anchor) country for the protection of the river.

Mr. Abdul Abdus Salam, convener of the anchor-Dhaka metropolitan south, was present at the river observation ceremony, and anchor-central member Ruhul Amin, the honorable Fahim Haque Green of Dhaka metropolis.

During the illegal evacuation of both banks of the BIWTA Buriganga River from 30 January 2019, illegal structures including three small tinshed houses, two paved walls, four brick-sand mattresses were removed. photo : F.H. Sobuz

https://nongornews.com/2020/02/20/the-observation-of-the-nongor-bd-and-the-students-of-dhaka-university-took-place-after-the-evacuation-of-the-river-buriganga/

নোঙর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বুড়িগঙ্গা নদীর দখল উচ্ছেদ পরবর্তী পর্যবেক্ষণ অনুষ্ঠিত।

ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানের পরবর্তী বিআইডব্লিউটিএর সহযোগিতায় জরিপকারী জাহাজ তিতাসে বুড়িগঙ্গা নদীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থীদের সাথে এক নদী পর্যবেক্ষণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর।

আজ সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০ সকাল ১০ ঘটিকায় ঢাকা সদরঘাট নৌবন্দর থেকে কাটাসুর আমিন মোমিন হাউজিং পর্যন্ত এ পরিদর্শন অনুষ্ঠান চলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিভাগের ২০ জন তরুণ ছাত্র-ছাত্রীরা নদীর দখল উচ্ছেদের পরেও অপরিকল্পিত একাধিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বর্তমান চিত্র দেখে তারা বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকে।

নদী পর্যবেক্ষণ অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের নৌ-পুলিশ সুপার জনাব খন্দকার ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, নদীমাতৃক দেশের প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব হচ্ছে নদী সুরক্ষার জন্য এগিয়ে আসা।এই বিশাল কাজটি সম্ভব হচ্ছে নোঙর এর গণসচেতনতামূলক কর্মকান্ডের জন্য।আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর নদীমাতৃক পরিবেশ তৈরী করা আমাদের সকলের উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিভাগের শিক্ষক ও চ্যানেল আই এর বার্তা সম্পাদক জনাব মীর মাশরুর জামান রনি, পরিবেশ বিষয়ক সাংবাদিক জনাব জাহিদুজ্জামান।

নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব সুমন শামস এর সভাপতিত্বে পর্যবেক্ষণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন নদী সুরক্ষার জন্য নোঙর দেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের ছাত্র-শিক্ষকদের নিয়ে এই ধরণের আয়োজন নদী রক্ষায় বিশাল ভুমিকা পালন পালন করবে।

নদী পর্যবেক্ষণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নোঙর-ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক জনাব আবদুস সালাম সময়, নোঙর-কেন্দ্রীয় সদস্য রুহুল আমীন, ঢাকা মহানগরের সম্মানিত ফাহিম হক সবুজ প্রমুখ।

গত ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ থেকে বিআইডব্লিউটিএ বুড়িগঙ্গা নদীর উভয় তীরের অবৈধ উচ্ছেদ অভিযানকালে ১৬৫টি ছোট বড় টিনশেডের টং ঘর, দুটি পাকা দেয়াল, চারটি ইট–বালুর গদিসহ ১৯০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

নোঙর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বুড়িগঙ্গা নদীর দখল উচ্ছেদ পরবর্তী পর্যবেক্ষণ অনুষ্ঠিত।

নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে সমাজকর্মী মোহাম্মদ হাদিছুর রহমান সম্মানিত সদস্য মনোনীত হয়েছেন।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার অতন্দ্রপ্রহরী সমাজকর্মী মোহাম্মদ হাদিছুর রহমান (তিতাস নদী) কে’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর এর সম্মানিত সদস্য মনোনীত করা হয়েছে।

তিনি মালেয়শিয়ার কুয়ালালামপুরে কর্মরত আছেন নদী ও পরিবেশ নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’ প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন শামস আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

‘নোঙর’ সমাজকর্মী মোহাম্মদ হাদিছুর রহমান এর সুদীর্ঘ জীবন ও সাফল্য কামনা করছে। দেশজুড়ে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সারা দেশের নদী যোদ্ধাদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ইতিমধ্যেই জেলা কমিটি গঠন করার কাজ শুরু করেছে।

১. ঢাকা ২. খুলনা ৩. চট্রগ্রাম ৪. রাজশাহী ৫. বরিশাল ৬. সিলেট ৭. রংপুর ৮. ময়মনসিংহ বিভাগের কমিটির পাশাপাশি ৬৪ জেলার নদী প্রকৃতি সুরক্ষার লক্ষ্যে তরুণদের সমন্বয়ে এই জেলা কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার ধরাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

নদীমাতৃক দেশের নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন, নোঙর পতাকা তলে একতাবদ্ধ হোন।

নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে সমাজকর্মী মোহাম্মদ হাদিছুর রহমান সম্মানিত সদস্য মনোনীত হয়েছেন।

নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে সমাজকর্মী মনির হোসেন সম্মানিত সদস্য মনোনিত হলেন।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার অতন্দ্রপ্রহরী সমাজকর্মী মনির হোসেন (তিতাস নদী) কে’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা থেকে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর এর সম্মানিত সদস্য মনোনীত করা হয়েছে।

নদী ও পরিবেশ নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’ প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন শামস আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

‘নোঙর’ সমাজকর্মী মনির হোসেন এর সুদীর্ঘ জীবন ও সাফল্য কামনা করছে। দেশজুড়ে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সারা দেশের নদী যোদ্ধাদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ইতিমধ্যেই জেলা কমিটি গঠন করার কাজ শুরু করেছে।

১. ঢাকা ২. খুলনা ৩. চট্রগ্রাম ৪. রাজশাহী ৫. বরিশাল ৬. সিলেট ৭. রংপুর ৮. ময়মনসিংহ বিভাগের কমিটির পাশাপাশি ৬৪ জেলার নদী প্রকৃতি সুরক্ষার লক্ষ্যে তরুণদের সমন্বয়ে এই জেলা কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার ধরাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

নদীমাতৃক দেশের নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন, নোঙর পতাকা তলে একতাবদ্ধ হোন।

নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে সমাজকর্মী মনির হোসেন সম্মানিত সদস্য মনোনিত হলেন।

নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে গণমাধ্যম কর্মী এস এম বদিউল আশরাফ সম্মানিত সদস্য মনোনিত হলেন।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার অতন্দ্রপ্রহরী গণমাধ্যম কর্মী এস এম বদিউল আশরাফ (তিতাস নদী) কে’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা থেকে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর এর সম্মানিত সদস্য মনোনীত করা হয়েছে।

নদী ও পরিবেশ নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’ প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন শামস আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

‘নোঙর’ গণমাধ্যম কর্মী এস এম বদিউল আশরাফ এর সুদীর্ঘ জীবন ও সাফল্য কামনা করছে।

দেশজুড়ে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সারা দেশের নদী যোদ্ধাদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ইতিমধ্যেই জেলা কমিটি গঠন করার কাজ শুরু করেছে।

১. ঢাকা ২. খুলনা ৩. চট্রগ্রাম ৪. রাজশাহী ৫. বরিশাল ৬. সিলেট ৭. রংপুর ৮. ময়মনসিংহ বিভাগের কমিটির পাশাপাশি ৬৪ জেলার নদী প্রকৃতি সুরক্ষার লক্ষ্যে তরুণদের সমন্বয়ে এই জেলা কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার ধরাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

নদীমাতৃক দেশের নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন, নোঙর পতাকা তলে একতাবদ্ধ হোন।

নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে গণমাধ্যম কর্মী এস এম বদিউল আশরাফ সম্মানিত সদস্য মনোনিত হলেন।

নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে গণমাধ্যম কর্মী মো: আক্তার হোসেন ভূঁইয়া সম্মানিত সদস্য মনোনিত হলেন।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার অতন্দ্রপ্রহরী গণমাধ্যম কর্মী মো: আক্তার হোসেন ভূঁইয়া (তিতাস নদী) কে’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা থেকে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর এর সম্মানিত সদস্য মনোনীত করা হয়েছে।

নদী ও পরিবেশ নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’ প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন শামস আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

‘নোঙর’ গণমাধ্যম কর্মী মো: আক্তার হোসেন ভূঁইয়া এর সুদীর্ঘ জীবন ও সাফল্য কামনা করছে। দেশজুড়ে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সারা দেশের নদী যোদ্ধাদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ইতিমধ্যেই জেলা কমিটি গঠন করার কাজ শুরু করেছে।

১. ঢাকা ২. খুলনা ৩. চট্রগ্রাম ৪. রাজশাহী ৫. বরিশাল ৬. সিলেট ৭. রংপুর ৮. ময়মনসিংহ বিভাগের কমিটির পাশাপাশি ৬৪ জেলার নদী প্রকৃতি সুরক্ষার লক্ষ্যে তরুণদের সমন্বয়ে এই জেলা কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার ধরাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

নদীমাতৃক দেশের নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন, নোঙর পতাকা তলে একতাবদ্ধ হোন।

নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে গণমাধ্যম কর্মী মো: আক্তার হোসেন ভূঁইয়া সম্মানিত সদস্য মনোনিত হলেন।

নোঙর-পিরোজপুর জেলা থেকে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এইচ. এম.জুয়েল সম্মানিত সদস্য মনোনীত হয়েছেন।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার অতন্দ্রপ্রহরী মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মী এইচ. এম.জুয়েল (বলেশ্বর নদী) কে’ পিরোজপুর জেলা থেকে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর এর সম্মানিত সদস্য মনোনীত করা হয়েছে।

নদী ও পরিবেশ নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’ প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন শামস আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এইচ. এম.জুয়েল বর্তমানে মোহনা টেলিভিশন ও ভোরের কাগজের পিরোজপুর প্রতিনিধি হিসেবে যুক্ত আছেন।

‘নোঙর’ গণমাধ্যম কর্মী এইচ. এম.জুয়েল এর সুদীর্ঘ জীবন ও সাফল্য কামনা করছে।

দেশজুড়ে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সারা দেশের নদী যোদ্ধাদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ইতিমধ্যেই জেলা কমিটি গঠন করার কাজ শুরু করেছে।

১. ঢাকা ২. খুলনা ৩. চট্রগ্রাম ৪. রাজশাহী ৫. বরিশাল ৬. সিলেট ৭. রংপুর ৮. ময়মনসিংহ বিভাগের কমিটির পাশাপাশি ৬৪ জেলার নদী প্রকৃতি সুরক্ষার লক্ষ্যে তরুণদের সমন্বয়ে এই জেলা কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার ধরাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

নদীমাতৃক দেশের নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন, নোঙর পতাকা তলে একতাবদ্ধ হোন।

নোঙর-পিরোজপুর জেলা থেকে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এইচ. এম.জুয়েল সম্মানিত সদস্য মনোনীত হয়েছেন।

নোঙর-কক্সবাজার জেলা থেকে গণমাধ্যম কর্মী সেলিম উদ্দিন সম্মানিত সদস্য মনোনিত হলেন।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার অতন্দ্রপ্রহরী গণমাধ্যম কর্মী সেলিম উদ্দিন ( ফুলছড়ি নদী) কে’ কক্সবাজার জেলা থেকে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর এর সম্মানিত সদস্য মনোনীত করা হয়েছে।

নদী ও পরিবেশ নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’ প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন শামস আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

‘নোঙর’ গণমাধ্যম কর্মী সেলিম উদ্দিন এর সুদীর্ঘ জীবন ও সাফল্য কামনা করছে।

দেশজুড়ে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সারা দেশের নদী যোদ্ধাদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ইতিমধ্যেই জেলা কমিটি গঠন করার কাজ শুরু করেছে।

১. ঢাকা ২. খুলনা ৩. চট্রগ্রাম ৪. রাজশাহী ৫. বরিশাল ৬. সিলেট ৭. রংপুর ৮. ময়মনসিংহ বিভাগের কমিটির পাশাপাশি ৬৪ জেলার নদী প্রকৃতি সুরক্ষার লক্ষ্যে তরুণদের সমন্বয়ে এই জেলা কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার ধরাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

নদীমাতৃক দেশের নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন, নোঙর পতাকা তলে একতাবদ্ধ হোন।

https://nongornews.com/2020/02/11/%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%99%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87/

বাংলাদেশের নদীর অববাহিকা

বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। শাখা-প্রশাখাসহ প্রায় ৮০০ নদ-নদী বিপুল জলরাশি নিয়ে ২৪,১৪০ কিলোমিটার জায়গা দখল করে দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

আমিনুল ইসলাম তুহিন :  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” বাংলাদেশের নদীগুলোকে সংখ্যাবদ্ধ করেছে এবং প্রতিটি নদীর একটি পরিচিতি নম্বর দিয়েছে। এর ফলে তাদের হিসাব অনুযায়ি বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা এখন ৪০৫টি। পাউবো কর্তৃক নির্ধারিত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী (১০২টি) , উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী (১১৫টি), উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী (৮৭টি), উত্তর-কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদী (৬১টি), পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী (১৬টি) এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী (২৪টি) হিসেবে বিভাজন করে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।


নদীমাতৃক বাংলাদেশে অসংখ্য নদনদীর মধ্যে অনেকগুলো আকার এবং গুরুত্বে বিশাল। এসব নদীকে বড় নদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।বৃহৎ নদী হিসেবে কয়েকটিকে উল্লেখ করা যায় এমন নদীসমূহ হচ্ছে: পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, কর্ণফুলি, শীতলক্ষ্যা, গোমতী ইত্যাদি।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী:
আঠারবাঁকি, আড়িয়াল খাঁ নদ, আতাই, আন্ধারমানিক, আফ্রা, অর্পণগাছিয়া, ইছামতি-কালিন্দি, কচা, কপোতাক্ষ নদ, কুমার নদ (চুয়াডাঙ্গা), কুমার নদী (ফরিদপুর-গোপালগঞ্জ), কুমার আপার নদী, কুমার লোয়ার নদী, কয়রা, করুলিয়া, কাকশিয়ালী, কাজীবাছা, কাটাখালী, কাটাখাল, কালীগঙ্গা (পিরোজপুর), কীর্তনখোলা, খায়রাবাদ, খোলপেটুয়া, গড়াই, গুনাখালি, গলঘেসিয়া, গুলিশাখালী, ঘাঘর, ঘাসিয়াখালী, চত্রা, চুনকুড়ি, চন্দনা-বারাশিয়া, চাটখালী, চিত্রা, ঝপঝপিয়া, টর্কি, টিয়াখালি, ঢাকি, তেঁতুলিয়া, তেলিগঙ্গা-ঘেংরাইল, দড়াটানা-পয়লাহারা, দাড়ির গাঙ, দেলুতি, নুন্দা-উত্রা, নবগঙ্গা, নড়িয়া, নেহালগঞ্জ-রঙমাটিয়া, পটুয়াখালী, পুটিমারি, পুরাতন পশুর, পশুর, পাণ্ডব, পানগুছি, পালং, ফটকি, বগী, বুড়িশ্বর-পায়রা, বলেশ্বর, বাদুড়গাছা, বিশখালী, বিশারকন্দা-বাগদা, বিষ্ণু-কুমারখালি, বেগবতী, বেতনা, বেলুয়া, ভদ্রা, ভুবনেশ্বর, ভৈরব নদ, ভৈরব নদী (বাগেরহাট), ভৈরব-কপোতাক্ষ নদ, ভোলা, মংলা, মুক্তেশ্বরী টেকা, মধুমতি, মরিচ্চাপ-লবঙ্গবতী, মাথাভাঙ্গা, মাদারগাঙ, মাদারীপুর বিলরুট, মালঞ্চ, মিনহাজ, রূপসা, রাবনাবাদ, রায়মঙ্গল, লোহালিয়া, শাকবাড়িয়া, শাতলা-হারতা-নাথারকান্দা, শালদহ, শিবসা, শোলমারি, সুগন্ধা, সন্ধ্যা, সয়া-হাড়িভাঙ্গা, সাপমারা-হাবড়া, সালতা, সিরাজপুর হাওর, হরি, হরিহর, হামকুড়া, হাড়িয়া, হাপরখালী, হাবরখালী, হিশনা-ঝাঞ্চা নদী

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী:
আখিরা-মাচ্চা, আত্রাই, আত্রাই বা কাঁকড়া (দিনাজপুর), আত্রাই বা গুড় (নওগাঁ-নাটোর), আত্রাই (পাবনা), আলাই, আলাইকুমারী, ইছামতি (দিনাজপুর), ইছামতি (পাবনা), ইছামতি (বগুড়া), ইছামতি (বগুড়া-সিরাজগঞ্জ), ইরামতি, করতোয়া, করতোয়া (নীলফামারী), কাগেশ্বরী, কাটাখালী (গাইবান্ধা), কালা, কালাপানি, কালুদাহা, কুমলাল-নাউতারা, কুরুম, কুলিক, খড়খড়িয়া-তিলাই, খালসিডিঙ্গি, গদাই, গভেশ্বরী, পদ্মা, গাংনাই, গিদারী, গিরাই, গুকসী, গোবরা, গোহালা, ঘড়িয়া খাল, ঘাঘট, ঘিরনাই, ঘোড়ামারা, চাওয়াই, চিকনাই, চিকলী, চিরি, চিড়ি, চুঙ্গাভাঙ্গা, ছাতনাই, ছোট ঢেপা, ছোট যমুনা, ছোট সেনুয়া, টাঙ্গন, ডাহুক, ঢেপা, তালমা, তিস্তা, তিস্তা (পঞ্চগড়), তীরনই, তীরনই (পঞ্চগড়), তুলসীগঙ্গা, দুধকুমার, দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী, ধরলা, ধাইজান, ধুম, নর্ত, নলশীসা, নলেয়া, নাগর আপার নদী, নাগর লোয়ার নদী, নারোদ, পলিমারি, পাগলা, পাথরঘাটা, পাথরাজ, পুনর্ভবা, পেটকী, ফকিরনী, ফুলকুমার, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, বড়াল আপার নদী, বড়াল লোয়ার নদী, বাঙালি, বাদাই, বার্নাই, বান্নী, বুরাইল, বুল্লাই, বুড়িখোড়া, বুড়ি তিস্তা, বেরং, বেলান, বেসানী, বোরকা, ভাদাই, ভুল্লী, ভেরসা, মহানন্দা আপার নদী, মহানন্দা লোয়ার নদী, মাইলা, মালদাহা, মুসাখান, মানস, যমুনা (পঞ্চগড়), রতনাই, রামচণ্ডি, রাক্ষসিনী-তেঁতুলিয়া, লেংগা, লোনা, শিব, সতী-স্বর্ণামতি-ভাটেশ্বরী, সিমলাজান, সিরামাখালী খাল, সিংগিমারী, সুই, সেনুয়া, সোজ, হারাবতী, হুড়াসাগর নদী

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী:
আত্রাখালি, আবুয়া নদী বা নান্দিয়া গাং, আমরি খাল, ইসদার খাল-বারভাঙ্গা নদী, উপদাখালী, উমিয়াম, কর্ণঝরা, কর্ণ-বালজা, করিস, কাঁচামাটিয়া, কাপনা, কামারখাল, কামারখালী, কালদাহার-কানিয়াকুল, কালনী, কালাপানিঝরা, কুশিয়ারা, কোরাঙ্গী, খাজাচিং, খাসিমারা, খেপা, খোয়াই, গুমাই, ঘাগটিয়া, ঘানুরা-বগালা, ঘোড়াউত্রা, চামতি, চিতলখালী, চেলা, জাফলং-ডাউকি, জালিয়া ছড়া, জালুখালি, জুরী, ডাউকা, ধলা, দুধদা, দোলতা, ধনু, ধলাই-বিসনাই, ধলাই, নকলা-সুন্দ্রাকাশি, নরসুন্দা, নলজুর, নয়াগাং, নয়া গাং, নিতাই, পাটনাই-পাইকারতলা, পাবিজুড়ি-কুশি গাঙ-কুশিয়া, পিয়াইন, পিয়াইন (সুনামগঞ্জ-নেত্রকোনা), পুরনো সুরমা, পোড়া খাল-খাইয়া, বটরখাল, বড় গাং, বাউলাই, বাথাইল, বালই, বিজনা-গুঙ্গাইজুরি, বিবিয়ানা, বেকরা, বেতৈর, বেদুরি, ভাবনা-বাঁশিয়া-বহিয়া, ভোগাই-কংস, মগড়া, মনু, মরা সুরমা, মহারশি, মহাসিং, মালিজি, মিরগী, জাদুকাটা-রক্তি, লংলা, লাইন, লাউরানজানি, লুভা, সাইদুলি-বারনি, সাতারখালী, সারি গোয়াইন, সিনাই, সিঙ্গুয়া, সুতাং, সুরমা, সোনাই-বরদাল, সোমেশ্বরী, সোমেশ্বরী (ধর্মপাশা), সোমেশ্বরী নদী (শ্রীবর্দী-ঝিনাইগাতি)

উত্তর-কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদী:
আইমান-আখিলা, আইমান-মোবারি, আড়িয়াল খাঁ, ইছামতি (মানিকগঞ্জ), ইছামতি (সিরাজদিখান), ইলিশমারী, এলংজানী, কাটাখালি, কালিগঙ্গা (মানিকগঞ্জ), খিরো (ত্রিশাল), খিরো (ভালুকা), গাংডুবি, গাজীখালী, গোল্লার, চাতাল, চাপাই, চিলাই, জয়পাড়া খাল, ঝারকাটা, জিঞ্জিরাম, ঝিনাই, টঙ্গী, টংকি, তালতলা, তুরাগ, তুলসীখালী, ধলেশ্বরী, নাগদা, নাঙ্গলা, নালজুরি, নাংলী, পদ্মা, পাগারিয়া-শিলা, পারুলি খাল, পাহাড়িয়া, পুরনো ধলেশ্বরী, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, পুংলী, বংশী, বংশী (সাভার), ব্রহ্মপুত্র (নরসিংদী-মুন্সীগঞ্জ), বাকসাতরা, বাজ্জা-মেধুয়া, বানার আপার নদী, বানার লোয়ার নদী, বালু, বুড়িগঙ্গা, বৈরান, বোশখালী, মরা জিঞ্জিরাম, মাহারি, মিনিখালী, লাবুন্ধা, লৌহজং, শীতলক্ষ্যা, সালদা, সুতী, সুতিয়া, সোনাখালী, হাই, হাড়িদোয়া নদী

পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী:
ইছামতি (রাঙ্গামাটি), ঈদগাও, কর্ণফুলি, কাসালং, চেঙ্গি, ডলু-টংকাবতী, নাফ, বুড়া মাতামুহুরী, বাঁকখালি, ভারুয়াখালি, ভোলাখাল, মাইনী, মাতামুহুরী, রাংখাইন, সাঙ্গু, হালদা নদী

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী:
আর্সি-নালিয়া, কাকড়ি, কাস্তি, গোমতী, ঘুংঘুর, ছোট ফেনী, ডাকাতিয়া, ডাসাডিয়া, তিতাস, পুরনো তিতাস, ধনাগোদা, ফেনী, বিজলি, বুড়ি, ভুলুয়া, মুহুরী, মেঘনা আপার নদী, মেঘনা লোয়ার নদী, লহর, লংগন বলভদ্রা, সালদা, সেলোনিয়া, সোনাই, হাওড়া নদী

বাংলাদেশ-ভারত-মায়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদীর তালিকা:
রায়মঙ্গল, ইছামতী-কালিন্দী, বেতনা-কোদালিয়া, ভৈরব-কপোতাক্ষ, মাথাভাঙ্গা, গঙ্গা, পাগলা, আত্রাই, পুনর্ভবা, তেতুলিয়া, টাংগন, কুলিক বা কোকিল, নাগর, মহানন্দা, ডাহুক, করতোয়া, তালমা, ঘোড়ামারা, দিওনাই-যমুনেশ্বরী, বুড়িতিস্তা, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র, জিঞ্জিরাম, চিল্লাখালি, ভোগাই, সোমেশ্বরী, দামালিয়া/যালুখালী, নয়াগাঙ, উমিয়াম, যাদুকাটা, ধলা, পিয়াইন, শারি-গোয়াইন, সুরমা, কুশিয়ারা, সোনাই-বারদল, জুরি, মনু, ধলাই, লংলা, খোয়াই, সুতাং, সোনাই, হাওড়া, বিজনী, সালদা, গোমতী, কাকরাই-ডাকাতিয়া, সিলোনিয়া, মুহুরী, ফেনী, কর্ণফুলি, নিতাই, সাংগু, মাতামুহুরী, নাফ নদী

অন্যান্য নদী:
আন্তঃসীমান্ত নদী এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবাহিত ৪০৫টি নদী ছাড়াও আরও প্রায় চার শতাধিক নদী রয়েছে।

আউলিয়াখানা, আমনদামন, আস্তাইল, কম্পো, কাওরাইদ, কাজীপুর, কালিন্দী, খাড়িয়া, গন্দর, গুমানি, খোয়াথল্যাংতুইপুই, চিলাই (সুনামগঞ্জ), চোরখাই, জলঢাকা, তেতুলিয়া, তৈনগাঙ, থেগা, নাগেশ্বরী, ধানখালী, ধানসিঁড়ি, নীলগঞ্জ, পঞ্চবেণী, প্রাণসায়র, ফটিকছড়ি, বরাক, বান্দসা, বুড়ো গৌরাঙ্গ, ময়ুর, রহমত খালি, রায়ডাক, লঙ্গাই, শুক, সোয়াই, হরবাংছড়া, হরিণঘাটা, হাড়িয়াভাঙা, হেরাচামতি নদী

‘নোঙর-খুলনা জেলা’র আহবায়ক ইলিয়াস হোসেন লাবু এবং মোঃ মাহামুদুল হাসান শাওন সদস্য সচিব মনোনিত হলেন

নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর-খুলনা জেলা’ শাখার আয়োজনে গত বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২০ বিকাল ৫ ঘটিকায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খুলনা শহরের ট্যাঙ্ক রোডস্থ ২৯ ওর্য়াড কার্যালয় এ সভায় ‘নোঙর-খুলনা জেলা’র সর্ব সম্মতি ক্রমে সদস্যদের উপস্থিতিতে সমাজ কর্মী জনাব ইলিয়াস হোসেন লাবু কে আহবায়ক এবং মোঃ মাহামুদুল হাসান শাওন কে সদস্য সচিব ঘোষণা করা হয়।

এ ছাড়া ১. অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, ২. অভিজিৎ পাল, ৩.বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, ৪.আশিক ইকবাল, ৫.মুস্তাইন বিন ইদ্রিস চঞ্চল, ৬.শাহরিয়ার শিকদার কে আহবায়ক কমিটির সদস্য ঘোষণা করা হয়েছে।

নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুমন শামস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে খুলনা জেলা শাখার নবগঠিত আহবায়ক কমিটিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের নদ-নদী, খাল, পুকুর ও জলাশয় রক্ষায় গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে পর্যায়ক্রমে খুলনা মহানগর কমিটি গঠন করার প্রস্তা উঠে আসে।

পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক খুলনা জেলার নদীর মানচিত্র অনুযায়ী উপজেলা এবং থানা পর্যায়ে নদী সুরক্ষার কার্যক্রম বিস্তার করতে কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

‘নোঙর-খুলনা’ জেলা শাখার প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

নদী ও পরিবেশ রক্ষার্থে ‘নোঙর-খুলনা’ জেলা শাখার প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হলো।

নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর-খুলনা জেলা’ শাখার আয়োজনে গতকাল বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২০ বিকাল ৫ ঘটিকায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খুলনা শহরের ট্যাঙ্ক রোডস্থ ২৯ ওর্য়াড কার্যালয় এ সভায় ‘নোঙর-খুলনা জেলা’র সর্ব সম্মতি ক্রমে সদস্যদের উপস্থিতিতে সমাজ কর্মী জনাব ইলিয়াস হোসেন লাবু কে আহবায়ক এবং মোঃ মাহামুদুল হাসান শাওন কে সদস্য সচিব ঘোষণা করা হয়।

এ ছাড়া ১. অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, ২. অভিজিৎ পাল, ৩.বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, ৪.আশিক ইকবাল, ৫.মুস্তাইন বিন ইদ্রিস চঞ্চল, ৬.শাহরিয়ার শিকদার কে আহবায়ক কমিটির সদস্য ঘোষণা করা হয়েছে।

নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুমন শামস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে খুলনা জেলা শাখার নবগঠিত আহবায়ক কমিটিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের নদ-নদী, খাল, পুকুর ও জলাশয় রক্ষায় গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে পর্যায়ক্রমে খুলনা মহানগর কমিটি গঠন করার প্রস্তা উঠে আসে।

পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক খুলনা জেলার নদীর মানচিত্র অনুযায়ী উপজেলা এবং থানা পর্যায়ে নদী সুরক্ষার কার্যক্রম বিস্তার করতে কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

‘নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া’ জেলা সম্মানিত সদস্য মনোনিত হলেন সমাজকর্মী মোহাম্মদ বুলবুল ফেরদৌস রিপন

শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, (নোঙরনিউজ) : নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদ-নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার অতন্দ্রপ্রহরী সমাজকর্মী মোহাম্মদ বুলবুল ফেরদৌস রিপন (তিতাস নদী) কে’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙর এর সম্মানিত সদস্য মনোনীত করা হয়েছে।

নদী ও পরিবেশ নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’ প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন শামস আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

‘নোঙর’ সমাজকর্মী মোহাম্মদ বুলবুল ফেরদৌস রিপন এর সুদীর্ঘ জীবন ও সাফল্য কামনা করছে।

দেশজুড়ে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সারা দেশের নদী যোদ্ধাদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ইতিমধ্যেই জেলা কমিটি গঠন করার কাজ শুরু করেছে।

১. ঢাকা ২. খুলনা ৩. চট্রগ্রাম ৪. রাজশাহী ৫. বরিশাল ৬. সিলেট ৭. রংপুর ৮. ময়মনসিংহ বিভাগের কমিটির পাশাপাশি ৬৪ জেলার নদী প্রকৃতি সুরক্ষার লক্ষ্যে তরুণদের সমন্বয়ে এই জেলা কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার ধরাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

নদীমাতৃক দেশের নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন, নোঙর পতাকা তলে একতাবদ্ধ হোন।

কান্দিপাড়া পুকুর দূষণ রোধে “নোঙর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া” শাখার আহবানে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ২৬ জানুয়ারি২০২০, রবিবার দুপুর ১২:০০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কান্দিপাড়া মাদ্রাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন রাধার মার পুকুরটি দূষণ মুক্ত করতে শিক্ষার্থীরা হাতে বিভিন্ন স্লোগানের প্লেকার্ড নিয়ে নোঙর আয়োজিত মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছে।

স্লোগানের মধ্যে রয়েছে : “নিজে সুস্থ থাকুন এবং অন্যকে সুস্থ রাখুন, দূষণমুক্ত পরিবেশে, নিশ্বাস নেন অনায়াসে, রুখবো আবর্জনা গড়বো দেশ, দূষণমুক্ত বাংলাদেশ, বাড়ি ঘরের আবর্জনা, এখানে কেউ ফেলবেন না, মন্দ থাকার দিন শেষ, ভালো রাখুন পরিবেশ, সুস্থ সুন্দর পরিবেশ, ভালো থাকুক বাংলাদেশ, মশা, মাছি ময়লার বাড়ি, রোগ ছড়ায় তাড়াতাড়ি, দূষণ থেকে বাঁচতে চাই, বিদ্যালয়ে পড়তে চাই, নির্মল বাতাস, সুন্দর মন ভালো থাকার আয়োজন, ভালো থাকার পরিবেশ, নিজের হাতে করছি শেষ, ময়লা গন্ধে বাঁচা দায়, একটু ভালো থাকতে চাই, পুকুর দূষণ রোধ করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি, পুকুর দূষণ অপরাধ, সবাই করবো প্রতিবাদ, পুকুর রাখলে পরিষ্কার, সবার হবে উপকার, সবাই মিলে জলাশয় বাঁচাই, নিজে বাঁচি অন্যকে বাঁচাই, রক্তের কেনা বাংলাদেশ, আসুন আমরা দূষণমুক্ত দেশ গড়ি, ময়লা থেকে রেহাই দিন, ভালোবাসায় থাকবে ঋণ, আসুন হাতে হাত ধরি, প্লাস্টিক মুক্ত দেশ গড়ি, রক্ষা করি পরিবেশ, গড়ি সোনার বাংলাদেশ, পলিথিন বর্জন করুন, পরিছন্ন পরিবেশ গড়–ন, দূষণ হঠাও পরিবেশ বাঁচাও”।

মাদ্রাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাঈম খানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোঙর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি শামীম আহমেদ, সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নী, কাশেম মোল্লা, মাদ্রাসা সরকারি প্রাতমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি মো. আরমান মিয়া, ইকরামুল হক রুবেল, অঙ্কুর শিশু-কিশোর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আনিছুল হক রিপন, নাঈম বীন সওদাগর, মুফতী মো. এনামুল হাসান, বিজয় টিভির প্রতিনিধি খাইরুল কবির, কামরুজ্জামান টিটু, সোহেল খান, শান্তা ইসলাম, আশুতোষ রায়, সাংবাদিক প্রবীর চোধুরী রিপন, পথিক টিভির সম্পাদক জিহাদ হোসাইন লিটন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ফেবিন রহমানসহ এলাকাবাসী ও অত্র বিদ্যালয়ের সকল কোমলমতি শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন পরিচালনা করেন নোঙর নির্বাহী সদস্য সোহেল আহাদ। মানববন্ধনে এলাকাবাসী ও বক্তারা বিভিন্ন দাবী তুলে ধরেছেন। বক্তারা বলেন আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে এক সময় শত শত পুকুর ছিল। দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি মানুষের চাহিদা মেটানোর জন্য শহরের বিভিন্ন মহল্লায় থাকা উন্মুক্ত জলাশয় ভরাট করে আবাসিক বাড়ি নির্মাণ করে নিঃশ্বেষ করা হচ্ছে পুকুর, ডোবা, নালাসহ বিভিন্ন জলশায়। অবশিষ্ট যা রয়েছে তাও আবার ভূমিদস্যুদের দখলে চলে যাচ্ছে। ভূমিদস্যুরা পুকুর, ডোবা, নালা, জলাশয় দখলের জন্য নানা ধরনের অপকৌশল ব্যবহার করছে। যেমন, পুকুরে ময়লা, আবর্জনা, পলিথিন ফেলে জলায়শয়টিকে ব্যবহারের অনুপযোগী করে রাখে। তারপর এক সময় রাতের আঁধারে ট্রাক দিয়ে মাটি ফেলে জলাশয়টি ভরাট করে আবাসন তৈরি করছে।